ক্রাইম বাংলা ইনসাইডারের মালিক সাংবাদিক বোরহান কবীরের স্ত্রী মলি রাজধানীর বনানী তে একটি আবাসিক হোটেলে পতিতাবৃত্তি কালে পুলিশের হাতে আটক

অল অপরাধ জগৎ ড‌‌েস্কঃ
বাংলা ইনসাইডাররের মালিক সাংবাদিক বোরহান কবীরের স্ত্রী মলি রাজধানীর বনানী তে একটি আবাসিক হোটেলে পতিতাবৃত্তি কালে পুলিশের হাতে আটক!
সৈয়দ বোরহান যেমন পতিতার দালাল তার স্ত্রী ও পতিতাবৃত্তি ও পতিতাদের সর্দারনী।
কে এই বোরহান কবীর? সাংবাদিকরা ওকে চিনে বেশ্যার এক দালাল হিসাবে। সে আজকের কাগজ দিয়ে সাংবাদিকতা শুরু করে। তবে তার আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় টোকাই মস্তান, ছিনতাই, ও মেয়ে মানুষের ব্যবসা করতো বোরহান।
পরে লীগের নেতাদের বাড়িতে মেয়ে ও মদ পৌছিয়ে টাকা কামাই করতো, কাজ বাগাতো। মলি নামে এক মেয়েকে বিয়ে করে গ্রীণরোডে বাসা নিয়ে সেখানে মদ এবং মেয়েদের আসর বসাতো রাত্রে। সেই আড্ডায় আসত আ’লীগ মন্ত্রী নাসিম, অধ্যাপক আবু সাইয়িদ, ওবায়দুল কাদের, মোদাচ্ছের আলী সহ অনেকেই।
এখনকার স্বাস্থ্য মন্ত্রী নাসিম এবং সাবেক তথ্যমন্ত্রী আবু সাঈদ নিয়মিত ভাবে ভোগ করেছে বোরহানে স্ত্রী মলিকে, এ নিয়ে অনেক সরস গল্প আমরা জানি। নান্ মানুষের যৌনসেবা দিয়ে বিরক্ত মলি ২/৩ বার বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে গিয়ে অন্য সাংবাদিদের কাছে থেকেছে।
অন্যদিকে তখন আজকের কাজের সম্পাদক ছিল নাঈমুল ইসলাম খান, তার বউ ছিল তছলিমা নাসরীন। এক রাতে মদ খেয়ে মাতলামি করে তসলিমাকে নিয়ে টানাটানি করতে গিয়ে জুতাপেটা খায় বোরহান।
আ’লীগের অনেক নোতার মাগিবাজির ভিডিও আছে বোরহানের কাছে। সেগুলোর ভয় দেখিয়ে বোরহান ব্যবসা ও টাকা কামাই করেছে কোটি কোটি। তথ্যমন্ত্রী আবু সাঈদকে ব্লাকমেল করে নিয়েছিল বিটিভিতে ‘পরিপ্রেক্ষিত’ নামের একটি সংবাদ ভিত্তিক  অনুষ্ঠান, সেই অনুষ্ঠানের অপব্যবহার করে বহু ব্যবসায়ীর কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা বানিয়েছে বোরহান।
নারী ধর্ষন করতে গিয়ে একবার টাঙ্গাইলে গণধেলাই খেয়েছিল বোরহান। ওর আকামের কোনো শেষ নাই। প্রেসক্লাবের সবাই জানে এসব। এখন তাই জাতে ওঠার জন্য বোরহান বিএনপির বিরুদ্ধে বানোয়াট প্রোপাগান্ডা লিখে হাসিনার কাছ থেকে বড় কিছু পাইতে চায়।
বিএনপির কর্মীদেরকে বলব এই কুত্তার বাচ্চা বোরহান কবীরকে রাস্তাঘাটে যেখানে পাওয়া যাবে -যাস্ট গণধোলাই।
কামরুল ইসলাম এর ফেবু স্টাটাস থেকে নেওয়া
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া লন্ডনে যাওয়ার পর থেকে দারুন অশান্তিতে আছে অবৈধ প্রধানমন্ত্রী হাসিনা। কি না কি বিপদ আসে তার জন্য। সেখানকার খবরও তেমন পাচ্ছে না।
তাই এক প্রোপাগান্ডিস্ট সৈয়দ বোরহান কবিরকে ময়দানে নামিয়ে দিয়েছে। বোরহান তার নতুন গজানো বাংলাদেশে ইনসাইডার নামে এটি চটি অনলাইনে বিএনপি, বেগম খালেদা জিয়া, তারেক রহমান, এবং সিনিয়র নেতাদের নামে আজগুবি বানোয়াট লেখা লিখে চরিত্র হনন ও বিএনপির ক্ষতি করার অপচেষ্টা শুরু করেছে।
বিএনপির তিন সিনিয়র নেতার নামে এমন মিথ্যা লিখা লিখেছে, যার কোনো সত্যতা নেই। এসব আবার পূনঃপ্রচার করে পীর হবিব নামে এক জারজ, তার পুর্ব পশ্চিম অনলাইনে। বিএনপির ঐ তিন নেতা সর্বজনাব তরিকুল ইসলাম, এমকে আনোয়ার, এবং মাহবুবুর রহমান তিন জনেই লিখিত প্রতিবাদ করেছেন। তাহলে বিষয়টা পরিস্কার। এ ছাড়াও তারেক রহমান এবং খালেদা জিয়াকে নিয়াও একই কান্ড করেছে এই শয়তা
বাংলা ইনসাইডাররের মালিক সাংবাদিক বোরহান কবীরের স্ত্রী মলি রাজধানীর বনানী তে একটি আবাসিক হোটেলে পতিতাবৃত্তি কালে পুলিশের হাতে আটক!
সৈয়দ বোরহান যেমন পতিতার দালাল তার স্ত্রী ও পতিতাবৃত্তি ও পতিতাদের সর্দারনী।
কে এই বোরহান কবীর? সাংবাদিকরা ওকে চিনে বেশ্যার এক দালাল হিসাবে। সে আজকের কাগজ দিয়ে সাংবাদিকতা শুরু করে। তবে তার আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় টোকাই মস্তান, ছিনতাই, ও মেয়ে মানুষের ব্যবসা করতো বোরহান।
পরে লীগের নেতাদের বাড়িতে মেয়ে ও মদ পৌছিয়ে টাকা কামাই করতো, কাজ বাগাতো। মলি নামে এক মেয়েকে বিয়ে করে গ্রীণরোডে বাসা নিয়ে সেখানে মদ এবং মেয়েদের আসর বসাতো রাত্রে। সেই আড্ডায় আসত আ’লীগ মন্ত্রী নাসিম, অধ্যাপক আবু সাইয়িদ, ওবায়দুল কাদের, মোদাচ্ছের আলী সহ অনেকেই।
এখনকার স্বাস্থ্য মন্ত্রী নাসিম এবং সাবেক তথ্যমন্ত্রী আবু সাঈদ নিয়মিত ভাবে ভোগ করেছে বোরহানে স্ত্রী মলিকে, এ নিয়ে অনেক সরস গল্প আমরা জানি। নান্ মানুষের যৌনসেবা দিয়ে বিরক্ত মলি ২/৩ বার বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে গিয়ে অন্য সাংবাদিদের কাছে থেকেছে।
অন্যদিকে তখন আজকের কাজের সম্পাদক ছিল নাঈমুল ইসলাম খান, তার বউ ছিল তছলিমা নাসরীন। এক রাতে মদ খেয়ে মাতলামি করে তসলিমাকে নিয়ে টানাটানি করতে গিয়ে জুতাপেটা খায় বোরহান।
আ’লীগের অনেক নোতার মাগিবাজির ভিডিও আছে বোরহানের কাছে। সেগুলোর ভয় দেখিয়ে বোরহান ব্যবসা ও টাকা কামাই করেছে কোটি কোটি। তথ্যমন্ত্রী আবু সাঈদকে ব্লাকমেল করে নিয়েছিল বিটিভিতে ‘পরিপ্রেক্ষিত’ নামের একটি সংবাদ ভিত্তিক  অনুষ্ঠান, সেই অনুষ্ঠানের অপব্যবহার করে বহু ব্যবসায়ীর কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা বানিয়েছে বোরহান।
নারী ধর্ষন করতে গিয়ে একবার টাঙ্গাইলে গণধেলাই খেয়েছিল বোরহান। ওর আকামের কোনো শেষ নাই। প্রেসক্লাবের সবাই জানে এসব। এখন তাই জাতে ওঠার জন্য বোরহান বিএনপির বিরুদ্ধে বানোয়াট প্রোপাগান্ডা লিখে হাসিনার কাছ থেকে বড় কিছু পাইতে চায়।
বিএনপির কর্মীদেরকে বলব এই কুত্তার বাচ্চা বোরহান কবীরকে রাস্তাঘাটে যেখানে পাওয়া যাবে -যাস্ট গণধোলাই।
কামরুল ইসলাম এর ফেবু স্টাটাস থেকে নেওয়া
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া লন্ডনে যাওয়ার পর থেকে দারুন অশান্তিতে আছে অবৈধ প্রধানমন্ত্রী হাসিনা। কি না কি বিপদ আসে তার জন্য। সেখানকার খবরও তেমন পাচ্ছে না।
তাই এক প্রোপাগান্ডিস্ট সৈয়দ বোরহান কবিরকে ময়দানে নামিয়ে দিয়েছে। বোরহান তার নতুন গজানো বাংলাদেশে ইনসাইডার নামে এটি চটি অনলাইনে বিএনপি, বেগম খালেদা জিয়া, তারেক রহমান, এবং সিনিয়র নেতাদের নামে আজগুবি বানোয়াট লেখা লিখে চরিত্র হনন ও বিএনপির ক্ষতি করার অপচেষ্টা শুরু করেছে।
বিএনপির তিন সিনিয়র নেতার নামে এমন মিথ্যা লিখা লিখেছে, যার কোনো সত্যতা নেই। এসব আবার পূনঃপ্রচার করে পীর হবিব নামে এক জারজ, তার পুর্ব পশ্চিম অনলাইনে। বিএনপির ঐ তিন নেতা সর্বজনাব তরিকুল ইসলাম, এমকে আনোয়ার, এবং মাহবুবুর রহমান তিন জনেই লিখিত প্রতিবাদ করেছেন। তাহলে বিষয়টা পরিস্কার। এ ছাড়াও তারেক রহমান এবং খালেদা জিয়াকে নিয়াও একই কান্ড করেছে এই শয়তা

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেতা রাজীব সম্পর্কে ৮টি অজানা তথ্য।

শরীরের হাড় ক্ষয় করে যে ৪ খাবার

করোনাভাইরাস: মৃত্যু ছাড়াল সাড়ে ৪ হাজার।