সানি লিওন আল্লাহর বান্দা, তাকে বাংলাদেশে প্রবেশে বাঁধা দেয়া হারাম: মাওলানা মাসউদ শাহবাগী!

অলসংবাদ২৪ ডেস্ক:
সম্রাট হযরত ময়লানা ফরিদউদ্দিন  বলেছেন, আল্লাহর সৃষ্টির অবমাননা করা ইসলামে হারাম। জামাত-হেফাজত-তাবলীগ এরা ইসলাম বুঝে না বলেই আল্লাহর অনেক সুন্দর সুন্দর সৃষ্টিকে বাংলাদেশে প্রবেশে বাঁধা দেয়, মিছিল মিটিং করে। এরা এসব করে ইসলামকে ধ্বংস করতে চায়। কিছুদিন আগে ভারতীয় পর্ণস্টার সানি লিওন বাংলাদেশে আসার বিরোধীতা করে মিছিল সমাবেশ করে হেফাজতে ইসলাম। এটাও কি হারাম কাজ হয়েছে- এমন প্রশ্নের জবাবে মাওলানা মাসউদ বলেন, সানি লিওন হোক আর যেই হোক তাকে যে কোনো দেশে যেতে বাঁধা দেয়া ইসলামে হারাম। এই জমিন আল্লাহর সৃষ্টি, সানি লিওনও আল্লাহর বান্দা। ফলে তাকে বাংলাদেশে প্রবেশে যারা বাঁধা দিয়েছে তারা ইসলামের সাথে বিদ্রোহ করেছে। এদের ক্রয়সফায়ারে দেয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন শাহবাগী পর্ণব্যবসায়ী অমি রহমান পিয়ালের গুরু জনাব মাসউদ।
সম্প্রতি জঙ্গিবাদের নামে আওয়ামী লীগ সরকারের বিরোধীতা করা হারাম- এমন ফতোয়া জারি উপলক্ষ্যে জয়গুলের স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট ময়লানা মাসউদের বিশেষ সাক্ষৎকার গ্রহণ করতে শোলাকিয়া যান। বঙ্গবন্ধু এবং শেখ হাসিনার ছবি দেয়াল ঝুলানো নিজের আলীশান কার্যালয়ে বসে খুশি মনে সাক্ষাৎকার দেন মাসউদ। অফিসে কারো ছবি ঝুলিয়ে রাখার ব্যাপারে ইসলামের বিধান কী জানতে চাইলে ময়লানা বলেন, এমনিতে ছবি রাখা হারাম। তবে ইসলামের খাদেমদের ছবি সামনে ঝুলিয়ে রাখলে মনে ইসলামী জঝবা আসে। ইসলামি কাজে প্রেরণা পাওয়া যায়। পাইপ সম্রাট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান হলেন আমিরুল বাঙালী মু’মিনীন। তার কন্যা জামাতি হেফাজতি কুফ্ফারদের গুলি করে মেরে মেরে এদেশে ইসলামের সেবা করছেন। উনাদের দুইজনের ছবি সামনে রাখলে আমার ঈমানি জোর বেড়ে যায়। ফলে তাদের ছবি রাখা হালাল। সব মুসলমানের ঘরে ঘরে পাইপ সম্রাট ও তার কণ্যার ছবি ঝুলিয়ে রাখা উচিত বলেও মন্তব্য করেন ফতোয়া-কুল-শিরোমনী ময়লানা মাসউদ।
সানি লিওনের বা কারিনা কাপুরের ছবি রাখলে কি গুনাহ হবে? এই প্রশ্নের উত্তরে মাসউদ ফতোয়া দিয়ে বলেন, শোলাকিয়ায় এসে বায়আত গ্রহণ না করা পর্যন্ত তাদের ছবি রাখা হারাম। গোয়েন্দা সংস্থার টাকায় সম্প্রতি জারি করা ‘জঙ্গিবাদের মাধ্যমে হাসিনা সরকারের বিরোধীতা হারাম’- এই ফতোয়া জারির পর কেমন প্রতিক্রিয়া পাচ্ছেন, জানতে চাইলে ময়লানা বলেন, সেইরকম সাড়া পড়েছে। প্রধানমন্ত্রী হাসিনা আপা তো ফতোয়া জারির পরপরই ফোন দিয়েছেন। তিনি খুব রসিক মানুষ। বললেন, ‘মাসুদ ভাই আপনি আমর জীবনে সেরা ঈদ উপহার দিলেন এবার। আপনি কী চান এবার ঈদে বলেন?’ আমি বললাম, কী আর বলবো আপা! আমি তো ইসলামে খেদমত করতে চাই। ইসলামিক ফাউন্ডেশনটা যদি একটু খালি করে দিতেন আরকি! বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে আজীবন চেষ্টা করেছি। আপনি একটু দেইখেন। প্রধানমন্ত্রী কি ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাসচিব করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন আপনাকে? উত্তরে মাসউদ মুচকি হাসি দিয়ে বলেন, তা জানি না। তবে মনে হয় আরো বড় কিছু দিতে চান আপা। দোয়া করবেন! হয়ে গেলে তো জানতেই পারবেন।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেতা রাজীব সম্পর্কে ৮টি অজানা তথ্য।

শরীরের হাড় ক্ষয় করে যে ৪ খাবার

করোনাভাইরাস: মৃত্যু ছাড়াল সাড়ে ৪ হাজার।